চীন যেভাবে করোনা থেকে রক্ষা পেয়েছে
দ্বিতীয় দিনের মত চীনে নতুন করে কেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। এ ভাইরাসের সূচনা চীনে হলেও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ায়, সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছে। চলুন দেখি কি ছিলো সেই পদক্ষেপ গুলো।
গত কয়েকদিনে মৃতের সংখ্যা এবং আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও কমেছে। চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী জানান, তাদেরকে আটটি কাজ মেনে চলা অত্যাবশ্যকীয় ছিলো। সেগুলো হলো-
১. জ্বর বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ভাবে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
২. খুব বেশি দরকার ছাড়া বাইরে যাওয়া নিষেধ। সপ্তাহে বাজার একদিনে করতে হবে।
৩. কিছু এলাকা লকডাউন করা হয় যাতে আক্রান্ত অন্য এলাকার কেও ঢুকতে না পারে।
৪. বাইরে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
৫. বাইরে থেকে এসে হাত সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ধুতে হবে।
৬. কারণ ছাড়া চোখে মুখে হাত দেওয়া যাবে না।
৭. মানসিক ভাবে নিজেকে শক্ত রাখতে হবে।
৮. পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
চীনের নেওয়া পদক্ষেপ গুলো আমরা কতটুকু মেনে চলতে পারছি? কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।
গত কয়েকদিনে মৃতের সংখ্যা এবং আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও কমেছে। চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী জানান, তাদেরকে আটটি কাজ মেনে চলা অত্যাবশ্যকীয় ছিলো। সেগুলো হলো-
১. জ্বর বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ভাবে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
২. খুব বেশি দরকার ছাড়া বাইরে যাওয়া নিষেধ। সপ্তাহে বাজার একদিনে করতে হবে।
৩. কিছু এলাকা লকডাউন করা হয় যাতে আক্রান্ত অন্য এলাকার কেও ঢুকতে না পারে।
৪. বাইরে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
৫. বাইরে থেকে এসে হাত সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ধুতে হবে।
৬. কারণ ছাড়া চোখে মুখে হাত দেওয়া যাবে না।
৭. মানসিক ভাবে নিজেকে শক্ত রাখতে হবে।
৮. পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
চীনের নেওয়া পদক্ষেপ গুলো আমরা কতটুকু মেনে চলতে পারছি? কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।

No comments